Saturday, September 3, 2011

Shafik Rehman and Neutral Journalism


শফিক রেহমান ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা

১৯৮৩ সালে যখন আমি বুয়েটে ক্লাস শুরু করি স্বৈরশাসক এরশাদ তখন দোর্দন্ড প্রতাপের সাথে ক্ষমতায়। বুয়েট থেকে পাস করে যখন বের হই তখনও এরশাদ বিনপি আওয়ামি লীগসহ সব বিরোধিদলের আন্দোলন ব্যর্থ করে দিয়ে বহাল তবিয়তে রাষ্ট্রপ্রধান পদ আকড়ে আছেন। ১৯৯০তে যখন এরশাদের পতন তখন আমি আমেরিকাতে মাস্টার্স ডিগ্রীর ছাত্র। দেশে সেই আনন্দঘন মুহুর্তে থাকতে পারলাম না বলে খুব আফসোস হয়েছিল। পুরো বুয়েটে পড়ার সময় আমাদের সহপাঠী সবার প্রবল ইচ্ছে ছিল এরশাদের করুন পরিনতি নিজেদের চোখের সামনে দেখা (নিয়তির কি পরিহাস আজ দেশের বড় দুটি দলের কাছেই এরশাদ মহামূল্যবান ব্যক্তি তাকে নিয়ে রীতিমত দর কষাকষি হয়, অবশ্য ৭১এর যুদ্ধাপরাধিদের কল্পনাতিত উত্থানের কথা ভাবলে মনের কষ্ট অনেকটা লাঘব হয়)| সেই নৈরাশ্যজনক সময়ে শফিক রেহমান সাহেবের যায় যায় দিন এরশাদ বিরোধিতায় একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছিল। সেটা ছিল, না বিনপি ঘেষা, না আওয়ামি লীগ ঘেষা। দেশের নিরপেক্ষ সাধারন মানুষের প্রতিফলন ছিল সেটি। সম্ভবত সে কারনেই এটি এত দ্রুত জনপ্রিয় হতে পেরেছিল।

বিনপির ১৯৯১-৯৬ শাসনামলেও যায় যায় দিন নিরপেক্ষতা বজায় রেখেছিল। বিনপির সেই আমলের বিভিন্ন ব্যর্থতা নিয়ে যায় যায় দিনে লেখা হত প্রচুর। কিন্তু ২০০১ সালে বিনপি আবার ক্ষমতায় ফিরে আসার পর আমরা সম্পূর্ন ভিন্ন আরেক শফিক রেহমানের সাথে পরিচিত হই। সাংবাদিক হিসেবে উনার নিরপেক্ষতা হয়ে উঠে প্রশ্নবিদ্ধ। দুঃখজনকভাবে বলতে বাধ্য হচ্ছি তিনি একটি বড় দলের মূখপাত্রে পরিনত হন। নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা থেকে শফিক রেহমানের প্রস্থান দেশের জন্য একটি ক্ষতি ছাড়া আর কিছুই নয়। ২০০১ এর পর থেকে উনার লেখাতে একটি দিকই জোরালোভাবে প্রকাশ পায় সেটি হলো - যা কিছু ভালো সব বিনপির, ব্যর্থতা সব আওয়ামি লীগের, বিনপির সমালোচনা করার কিছুই নেই, সবকিছুই প্রশ্নাতিতভাবে প্রশংসনীয় আর আওয়ামি লীগের সমালোচনা লিখে শেষ করা যাবে না। উনার ২০০৪ সালের ২১শে আগস্টের গ্রেনেড আক্রমনোত্তর লেখা আমাকে দারুনভাবে হতাশ করেছিল যেগুলোকে বিনপি সরকারের তদন্ত ধামাচাপা দেবার সহায়ক বলে মনে হতে পারে।

আমি এই লেখাতে বিডিনিউজে ৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত শফিক সাহেবের লেখা “ডিয়ার ইনডিয়ান প্রাইম মিনিস্টার: নেড়িকুকুরের ইমেইল” লেখাটির কিছু সমালোচনা করতে চাই যদিও আমার মত অধমের জন্য এটি একধরনের ধৃষ্টতা।

শফিক রেহমান সাহেব সেখানে লিখেছেন শেখ হাসিনা দিল্লী সফরের আগে ও পরে বিরোধিদলের নেত্রী খালেদা জিয়াকে উপেক্ষা ও অবহেলিত করেছেন। তবে অনেস্ট প্রশ্ন হলো খালেদা জিয়া যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখন বিরোধিদলের নেত্রী শেখ হাসিনার কোন্ ইচ্ছাকে তিনি ক্ষমতার দম্ভে উপেক্ষা করেন নি? শফিক সাহেবের হয়ত মনে নেই ২১শে আগস্টের ভয়াবহ ট্র্যাজেডি নিয়ে খালেদা জিয়া বিরোধিদল ও জনগনের ইচ্ছা ও দাবিগুলোকে শুধু উপেক্ষাই করেন নি, তাচ্ছিল্য করেছিলেন।

শফিক সাহেব ৩০শে জুলাই ইকনমিস্ট পত্রিকার উদ্ধৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশের ২০০৮ সালের নির্বাচন নিয়ে। তবে তিনি দুঃখজনকভাবে এড়িয়ে গেলেন ১৩ই আগস্টে ইকনমিস্ট পত্রিকার The Poisonous Politics of Bangladesh টাইটেলের আর্টিকেলটি যেখানে এই ইলেকশনকে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে সুষ্ঠু বলে রায় দিয়েছে (তিনি সে আর্টিকেলটি পড়েন নি সেটি আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়)| লেখক এই আর্টিকেলটির দ্বিতীয় লাইনে লিখেছে:

In the fairest poll in the country’s four-decade history, the Awami League, led by Sheikh Hasina (pictured), swept to power in a landslide, on a wave of national optimism.

এটাতে আরো লিখেছে (যে বিষয়ে শফিক সাহেবের লেখার কোন আগ্রহ নেই বলেই প্রতীয়মান হয়, এ বিষয়ে উনার অবস্থান হচ্ছে মৌনতাই শ্রেয়):

As prime minister, most recently from 2001-06, Mrs Zia presided over a brutal kleptocracy.

১৩ই আগস্টে ইকনমিস্ট পত্রিকার In The Name of The Father টাইটেলের আর্টিকেলটিতে তারা আরো লিখেছে (আমার চেয়ে শফিক সাহেবের ভালো জানার কথা):

Her Awami League romped to an electoral win in December 2008. Her popularity has since dipped, but not disastrously. Nearly half the respondents to an AC-Nielsen survey in January, the most recent one, thought her government did a good job. Few backed the main opposition Bangladesh Nationalist Party (BNP), which spurns parliament, calls public strikes and is remembered for the brutality and corruption of its rule in 2001-06.

এটা খুবই রহস্যজনক শফিক রেহমান সাহেব ২০০৮ সালের ইলেকশন নিয়ে জুলাই মাসের ইকনমিস্ট পত্রিকার রিপোর্টকে বলছেন বাংলাদেশের মানুষ (শতকরা কতজন বলেননি বা বলেননি শুধু বিনপির ঘোরতর সমর্থকরাই) নাকি তা সত্য হিসেবে মনে করে। অথচ উনার স্ত্রী তালেয়া রহমানের বেসরকারি নির্বাচন পর্যবেক্ষন সংস্থা ডেমক্রেসি ওয়াচ ২০০৮ সালের নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু বলে সার্টিফাই করেছিল। প্রশ্ন হচ্ছে কে সত্য বলছেন? উনি নাকি উনার স্ত্রী? শফিক সাহেব সত্য হলে দেশের মানুষ যদি ধরে নেয় উনার স্ত্রীও ভারতের ব্যাগভর্তি টাকা ও পরামর্শ নিয়েছিলেন, তবে কি তা অন্যায় হবে?

শফিক সাহেবের স্ত্রী তালেয়া রেহমানের বেসরকারি নির্বাচন পর্যবেক্ষন সংস্থা ডেমক্রেসি ওয়াচের সাইটম্যাপ http://www.dwatch-bd.org/sitemap.html লিংকে http://www.dwatch-bd.org/National%20Election%20Final%20Report-2008.pdf আর্টিকেলের পৃষ্ঠা ২৩ এ Summary তে লেখা আছে:

Apart from these very few incidents the 9th Parliamentary Election 2008 was held in a free, fair and peaceful environment. In all the polling centers including Dhaka, voters seemed to vote enthusiastically. The numbers of women voters in the voters’ queues were remarkable and the overall turnout of voters was high. The irregularities that have so far been reported are very minor and do not affect the overall election results throughout the country.

Democracywatch expects all political parties will accept the results and build an authentic democratic culture in Bangladesh by showing tolerance and lead the nation towards prosperity.

শফিক সাহেবের মতে বাংলাদেশের এই বুদ্ধিমান ও চৌকস মানুষকে প্রতারিত করা কারো পক্ষেই নাকি সম্ভব হবে না, তাদেরকে বোকা বানানো সহজ নয়। এই বুদ্ধিমান ও চৌকস মানুষকদেরই শেখ হাসিনা ভারত থেকে ব্যাগ ভর্তি টাকা ও পরামর্শ দিয়ে ২০০৮ সালের নির্বাচনে কিনে ফেলল, বিষয়টি একটু হাস্যকরের পর্যায়ে চলে যায় না কি? এটা যে উনার একটি বড় ধরনের স্ববিরোধি বক্তব্য হয়ে গেল তিনি বোধহয় তা বুঝতে পারেন নি। যে ভারতের টাকা ও পরামর্শে বাংলাদেশের বুদ্ধিমান ও চৌকস মানুষগুলো ২০০৮ সালে প্রতারিত হলো, তাদের প্রধানমন্ত্রিকে বানী শুনানো কি বুদ্ধিমানের কাজ? নাকি তিনি পরোক্ষভাবে বলতে চান ভারতীরা বাংলাদেশিদের চেয়েও আরো বেশি বুদ্ধিমান ও চৌকস? শফিক সাহেবই তা ভালো বলতে পারবেন।

খুবই আশ্চর্যজনক যে দলীয় ক্ষুদ্রস্বার্থে সরকার ও ভারতবিরোধি সমালোচনার খাতিরে শফিক রেহমান সাহেবকে আজ ঘরের ঠাকুর ফেলে ভিনদেশি রিপোর্টের আশ্রয় নিতে হলো।

কোন প্রমান ছাড়া ড: ইউনুসের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনা ও হিলারী ক্লিনটনের সাথে ফোনালাপ তিনি এমনভাবে উপস্থাপন করেছেন যা উনার লেখা অন্য সব আপাতদৃষ্টিতে সিরিয়াস বিষয়বস্তুগুলোকেও হালকা করে দেয়। যদি জনগনের ভোটে নির্বাচিত না হয়ে আমেরিকা ও ভারতের সহায়তায় আওয়ামি লীগ ক্ষমতারোহন করে থাকে, তাহলে হিলারীর ধমকে চুপসে যেয়ে ড: ইউনুসের ব্যাপারে আর ঘাটাঘাটি না করে তাকে স্বস্থানে বহাল রাখাই কি শেখ হাসিনার জন্য যুক্তিসঙ্গত হত না? শেখ হাসিনা কি উল্টোটা করেননি? শফিক রেহমান কি উদ্দেশ্যে এই কাল্পনিক সাক্ষাত্কার উপস্থাপন করেছেন বলা মুশকিল, তবে এটাকে বিলু্প্ত যায় যায় দিন সাপ্তাহিকীর দিনের পর দিন কলামে মিলা ও মইনের পরকিয়া আলাপচারিতার অংশবিশেষ বলে মনে হতে পারে।

বাংলাদেশের পাট শিল্প পড়ে যাবার কথা বলেছেন, কিন্তু উল্লেখ করেননি বিশ্বব্যাংকের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে কোন্ কট্টর ভারতবিরোধি সরকারের দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের অর্থমন্ত্রির বিশাল অবদানের কারনে পাটশিল্প আজ প্রতিবেশি দেশের করতলগত হয়ে গিয়েছে অনেক আগেই।

সত্য গুজরাটে মুসলিম হত্যার মতো কোনো ঘটনা বাংলাদেশে ঘটে নি, কিন্তু ২০০২ সালে গুজরাট হত্যাকান্ডের ঘটার আগে ২০০১ সালে বাংলাদেশের নির্বাচনোত্তর সহিংসতার শিকার হাজার হাজার বিরোধিদলের কর্মি ও সংখ্যালঘুরা এব্যাপারে ভিন্নমত প্রকাশ করতে পারে। তাদের উপর কি পরিমান ভয়াবহ নির্যাতন নেমে এসেছিল তা সেসময়কার প্রধান প্রধান দৈনিক পত্রিকাগুলোতে আরেকবার চোখ বুলালেই যথেষ্ট হবে। শফিক রেহমান সাহেব সে সময় এব্যাপারে সম্পূর্ন নিরব ছিলেন বলেই আমার ধারনা। উনার মত দলীয় বুদ্ধিজীবিরা এসমস্ত সন্ত্রাসি তান্ডবে আওয়ামি লীগ, প্রতিবেশি দেশ ও তাদের গোয়েন্দা সংস্থার জড়িত থাকার প্রমান খুজে খুজে হয়রান হচ্ছিলেন।

সত্য গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মতো কোনো ঘোর শক্তিশালী সাম্প্রদায়িক নেতা বাংলাদেশে নেই; তবে গোলাম আযম, মাওলানা নিজামি, আলি আহসান মুজাহিদ, দেলোয়ার হোসেন সাঈদি, কাদের মোল্লা, কামারুজ্জামানের মত ঘোর শক্তিশালী ধর্ম ব্যবসায়ি আছে যারা তাদের দলের প্রয়োজনে এত নিচে নেমে যেতে পারে যখন তাদের নিজেদের মা বোনরাও তাদের কাছে থাকা নিরাপদ মনে করবে না। ৭১ সালে এই যুদ্ধাপরাধিরা ভীনজাতীয় প্রভুর মনোরঞ্জনে স্বজাতি ও স্বধর্মের লোকের উপর যা করেছে তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। নরেন্দ্র মোদিরা যত খারাপই হোক তারা এখনো নিজ ধর্মের লোকের উপর হামলা চালায় নি।

আগের এক লেখায় শফিক রেহমান উনার নেত্রী খালেদা জিয়ার প্রশংসা করে লিখেছিলেন তিনি অসাধারন সৌন্দর্যের অধিকারি (যদি তা সত্যও হয় তা পুরোপুরি আল্লাহ প্রদত্ত যেখানে মানুষের কোন কৃতিত্ব নেই) যে কারনে নাকি শেখ হাসিনা তার প্রতি ইর্ষাপরায়ন। শফিক সাহেবকে আমি সবিনয় অনুরোধ করব তিনি আমাদের জন্য লিখুন উনার নেত্রীর ১৫ই আগস্টে মিথ্যে জন্মদিন পালন করা কোনধরনের সৌন্দর্য বহন করে সে সম্বন্ধে। এটাকে অসাধারন মানসিক কদর্যতার (যার জন্য উনার নেত্রী নিজে সম্পূর্ন দায়ি) একটি কুত্সিত দৃষ্টান্ত বললে কি অত্যুক্তি হবে?

তবে শফিক সাহেবকে এসব নিয়ে মাথা ঘামানোর বিশেষ কোন কারন দেখি না, উনার অসংখ্য ডানপন্থী ভক্তরা উনার একপেশে লেখাগুলোকে সবসময়ই বাহবা দিয়ে যাবেন। খালি আমার মত বামপন্থী অধমের অনেক দিনের শখ শফিক রেহমান যদি সত্যিকার অর্থে নিরপেক্ষ সাংবাদিক হয়ে থাকেন অথবা আমাদেরকে আনন্দে আত্মহারা করে দিয়ে এরশাদ ও খালেদা জিয়ার প্রথম আমলের সেই হারিয়ে যাওয়া শফিক রেহমান হঠাত্ করে ফিরে আসেন তাহলে তিনি একদিন লিখবেন ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল এই পাচ বছর তারেক জিয়া ও হাওয়া ভবনের কর্মকান্ড নিয়ে; তার দলের মত উইকিলিকসে লীগের কিছু বের হলে আন্তর্জাতিক স্বীকৃত বড় বড় পত্রিকার শিরোনাম এবং নিজ দলের হলে ষড়যন্ত্র বলেন কিনা; লিখবেন কি করে ৭১ এর কুখ্যাত আলবদর বাহিনীর নেতা মাওলানা নিজামি ও আলি আহসান মুজাহিদ স্বাধিন বাংলাদেশে সরকারের মন্ত্রি হয়; লিখবেন কি করে জিয়া ও বিনপি বঙ্গবন্ধু, তার পরিবার, ও জেলে চার নেতার নির্মম হত্যাকান্ডের আত্মস্বীকৃত কুখ্যাত খুনীদের শুধু বিচার বিঘ্নিত করাই নয় তাদেরকে দারুনভাবে রক্ষা ও পুরষ্কৃত করে; লিখবেন তার নেত্রি খালেদা ও তার দল কি ভয়ংকরভাবে ২১শে আগস্টের ভয়াবহ গ্রেনেড আক্রমনের তদন্তের নামে সারা দেশবাসির সাথে তামাশা করেছিল; লিখবেন জজমিয়া নাটককে তিনি কি দৃ্ষ্টিতে দেখেন অথবা তার দলের মত জজমিয়াই ২১শে আগস্টের ঘটনার নায়ক তা মনে করেন কিনা। এরকম অনেক ইচ্ছা প্রবলভাবে মনের মধ্যে ঘুরপাক খায়। আশা একদিন হয়ত শফিক সাহেব সাংবাদিক পেশার প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে সততার সাথে এসমস্ত বিষয়ে উনার জ্ঞানগর্ভ তথ্য ও বিশ্লেষন দিয়ে আমাদের মুগ্ধ করবেন। সেদিন মনে করব বাংলাদেশে সত্যিকারের গুনগত পরিবর্তন হতে চলেছে।

Total Pageviews